রক্ত ক্ষয়ী বদর।

আজ পবিত্র মাহে রমাযানের ১৭ তারিখ, তাই মনে পরে সেই রক্ত ক্ষয়ী বদরের কথা। দুনিয়ার ইতিহাসের হাজার হাজার বছর অতিক্রান্ত হয়েছে। যুগে যুগে যুদ্ধ বিগ্রহের পথ ধরে কখন মানুষের সভ্যতা ধ্বংস হয়েছে, কখনো বা সুগম হয়ছে এগিয়ে যাবার পথ। ইতিহাসের পাতা উল্টালেই দেখতে পাই কত বড় বড় যুদ্ধ আর বীর বীরত্বের কাহিনী। দুনিয়ায় এ পর্যন্ত যতগুলো যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছে তার মধ্যে সুদূরপ্রসারী প্রভাবের দিক দিয়ে বদরের যুদ্ধ একটি অনন্য বৈশিষ্ট্যের অধিকারী।
এই যুদ্ধ দেশ জয় বা সভ্যতাকে ধ্বংস করার জন্য ঘটেনি, ঘটেছিল দুনিয়ার ভূখণ্ড থেকে শিরক উৎখাত করে আল্লাহর তাওহীদ প্রতিষ্ঠা ও অন্যায়-অবিচার, জুলম-নির্যাতনের অন্ধকার থেকে মানুষকে ফিরিয়ে আনতে ইসলামের সুশীতল ছায়াতলে। ইসলাম বিজয়ের জন্য, মুসলমানেরা আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস ও ঈমান রেখে যুদ্ধ করেছিল মুশরেখদের বিরদ্ধে, যার নেতৃত্ব দিয়েছিলেন সেই মানবতার মুক্তির দূত আমাদের প্রিয় নবী মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম।

বদর যুদ্ধের স্থান:
এটি মদীনা মুনাওয়ারা থেকে দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত। বদর মূলত একটি পাহাড়ি ঝরনার নাম। মদীনা থেকে যার দূরত্ব প্রায় ১৮৩ কিলোমিটার। অন্যদিকে মক্কা মুকাররমা থেকে উত্তর দিকে অবস্থিত এবং দূরত্ব বর্তমানে ৩৪৩ কিলোমিটার এবং ওদিকে লোহিত সাগর বদরের পশ্চিম দিকে অবস্থিত।

ইনশাল্লাহ আগামী পর্বে বদর যুদ্ধের পেক্ষাপট ও বিস্তারিত লিখবো।

 

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s

%d bloggers like this: