যাদুল মাআদ বা পরকালের পাথেয় পর্ব-২

 যাদুল মাআদ বা পরকালের পাথেয় পর্ব-২

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নামাযের পদ্ধতি

নামাযে দাঁড়ানোর সময় রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আল্লাহু আকবার বলতেন। এর পূর্বে তিনি কোন কিছুই পাঠ করেন নি। নামাযের শুরুতে তিনি মুখে নিয়ত উচ্চারণ করেন নি। সাহাবী, তাবেঈ এবং চার মাজহাবের ইমামদের কেউ এটিকে মুস্তাহাব বলেন নি।

তাকবীরে তাহরীমা বলার সময় তিনি ألله أكبر ‘আল্লাহু আকবার’ বাক্যটি পাঠ করতেন। এ ছাড়া তিনি অন্য কিছুই পাঠ করতেন না। তাকবীর পাঠ করার সময় তিনি উভয় হাতের আঙ্গুলসমূহ খোলা রেখে এবং কিবলা মুখী করে কানের লতি পর্যন্ত উঠাতেন। কাঁধ পর্যন্ত উঠানোর কথাও বর্ণিত হয়েছে। অতঃপর ডান হাতের কবজি ও বাহুকে বাম হাতের কবজি ও বাহুর উপর স্থাপন করতেন। উভয় হাত রাখার স্থান সম্পর্কে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে সহীহ সূত্রে কিছুই বর্ণিত হয় নি। তবে আবু ইমাম দাউদ আলী (রা:) হতে বর্ণনা করেছেন যে, নামাযে এক হাতের কবজিকে অন্য হাতের কবজির উপর রাখা সুন্নতের অন্তর্ভুক্ত। তাকবীরে তাহরীমার পর কখনও তিনিএই দুআটি (ছানাটি) পড়ে নামায শুরু করতেন:

اللَّهُمَّ بَاعِدْ بَيْنِى وَبَيْنَ خَطَايَاىَ كَمَا بَاعَدْتَ بَيْنَ الْمَشْرِقِ وَالْمَغْرِبِ اللَّهُمَّ اغْسِلْنِيْ مِنْ خَطَايَاىَ بِالْمَاءِ وَالثَّلْجِ وَالْبَرَدِ اللَّهُمَّ نَقِّنِى مِنَ الْخَطَايَا كَمَا يُنَقَّى الثَّوْبُ الأَبْيَضُ مِنَ الدَّنَسِ
হে আল্লাহ! তুমি আমার এবং আমার পাপ সমহের মাঝে এমন দূরত্ব সৃষ্টি করে দাও যেমন দূরত্ব সৃষ্টি করেছ পর্ব ও পশ্চিমের মাঝে। হে আল্লাহ! তুমি আমার গুনাহসমুহ পানি, বরফ ও শিশির দ্বারা ধৌত করে দাও। হে আল্লাহ! তুমি আমাকে এমনভাবে পাপাচার থেকে পরিষ্কার করে দাও যেমন সাদা কাপড়কে ময়লা থেকে ধৗত করে পরিচ্ছন্ন করা হয়। তিনি কখনও এই দুআটি পাঠ করতেন:

وَجَّهْتُ وَجْهِىَ لِلَّذِى فَطَرَ السَّمَوَاتِ وَالأَرْضَ حَنِيفًا وَمَا أَنَا مِنَ الْمُشْرِكِينَ إِنَّ صَلاَتِى وَنُسُكِى وَمَحْيَاىَ وَمَمَاتِى لِلَّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ لاَ شَرِيكَ لَهُ وَبِذَلِكَ أُمِرْتُ وَأَنَا مِنَ الْمُسْلِمِينَ اللَّهُمَّ أَنْتَ الْمَلِكُ لاَ إِلَهَ إِلاَّ أَنْتَ. أَنْتَ رَبِّى وَأَنَا عَبْدُكَ ظَلَمْتُ نَفْسِى وَاعْتَرَفْتُ بِذَنْبِى فَاغْفِرْ لِى ذُنُوبِى جَمِيعًا إِنَّهُ لاَ يَغْفِرُ الذُّنُوبَ إِلاَّ أَنْتَ وَاهْدِنِى لأَحْسَنِ الأَخْلاَقِ لاَ يَهْدِى لأَحْسَنِهَا إِلاَّ أَنْتَ وَاصْرِفْ عَنِّى سَيِّئَهَا لاَ يَصْرِفُ عَنِّى سَيِّئَهَا إِلاَّ أَنْتَ لَبَّيْكَ وَسَعْدَيْكَ وَالْخَيْرُ كُلُّهُ فِى يَدَيْكَ وَالشَّرُّ لَيْسَ إِلَيْكَ أَنَا بِكَ وَإِلَيْكَ تَبَارَكْتَ وَتَعَالَيْتَ أَسْتَغْفِرُكَ وَأَتُوبُ إِلَيْكَ

আমি একমুখী হয়ে স্বীয় মুখমণ্ডল ঐ সত্তার দিকে ফিরচ্ছি, যিনি নভোমণ্ডল ও ভূমণ্ডল সৃষ্টি করেছেন এবং আমি মুশরেকদের অন্তর্ভুক্ত নই। আমার নামায, আমার কোরবানী এবং আমার জীবন ও মরণ বিশ্ব প্রতিপালক আল্লাহরই জন্যে। তার কোন অংশীদার নেই। আমি তাই আদিষ্ট হয়েছি এবং আমি প্রথম আনুগত্য শীল। হে আল্লাহ! তুমি এমন বাদশাহ যিনি ছাড়া সত্য কোন উপাস্য নেই। তুমি আমার প্রভু। আমি তোমার বান্দা। আমি আমার নিজের উপর জুলুম করেছি। আমি আমার পাপ স্বীকার করছি। সুতরাং তুমি আমার গুনাহসমূহ ক্ষমা করে দাও। তুমি ব্যতীত গুনাহসমূহ ক্ষমা করার কেউ নেই। তুমি আমাকে সর্বোত্তম চরিত্রের দিকে পরিচালিত করো। তুমি ব্যতীত আর কেউ উত্তম চরিত্রের দিকে পরিচালিত করতে পারে না। তুমি আমার থেকে খারাপ চরিত্রগুলো দূর করে দাও। তুমি ছাড়া আর কেউ আমার থেকে খারাপ চরিত্রগুলো দূর করতে সক্ষম নয়। হে আমার প্রভু! আমি তোমার হুকুম পালন করতে প্রস্তুত ও উপস্থিত আছি। আমি তোমার আনুগত্যের জন্য সদা প্রস্তুত রয়েছি। সমস্ত কল্যাণ তোমার উভয় হস্তেই নিহিত। অকল্যাণকে তোমার দিকে সম্পৃক্ত করা শোভনীয় নয়। আমি সম্পূর্ণরূপে তোমার দিকে মুখাপেক্ষী ও নিজেক তোমার উপর সোপর্দ কারী এবং তোমার দিকেই আমি প্রত্যাবর্তনকারী। তুমি বরকমতময় ও মহিমান্বিত। তোমার কাছেই আমি ক্ষমা চাচ্ছি এবং তোমার নিকটই তওবা করছি।
তবে বিশুদ্ধ কথা হচ্ছে এই দুআটি তাহাজ্জুদ নামাযের ক্ষেত্রে বর্ণিত হয়েছে।

কখনও কখনও তিনি এই দুআটিও পড়তেন:
اللَّهُمَّ رَبَّ جِبْرِيلَ وَمِيكَائِيلَ وَإِسْرَافِيلَ فَاطِرَ السَّمَوَاتِ وَالأَرْضِ عَالِمَ الْغَيْبِ وَالشَّهَادَةِ أَنْتَ تَحْكُمُ بَيْنَ عِبَادِكَ فِيمَا كَانُوا فِيهِ يَخْتَلِفُونَ اهْدِنِى لِمَا اخْتُلِفَ فِيهِ مِنَ الْحَقِّ بِإِذْنِكَ إِنَّكَ أَنْتَ تَهْدِى مَنْ تَشَاءُ إِلَى صِرَاطٍ مُسْتَقِيمٍ

হে আল্লাহ তমি জিবরীল, মীকাঈল এবং ইসরাফিলের প্রভু। আসমান ও জমিনের স্রষ্টা। অদৃশ্য ও দৃশ্যমান সব বিষয়েই তুমি অবগত। তোমার বান্দারা যে বিষয়ে মতবিরোধে লিপ্ত হয় তুমি সে বিষয়ের ফয়সালা কারী। যেই সত্য সম্পর্কে মতভেদ করা হয়েছে সে বিষয়ে তুমি আমাকে সঠিক পথ প্রদর্শন করো। অর্থাৎ তুমি আমাকে হক ও হেদায়েতের উপর অবিচল রাখো। নিশ্চয়ই তুমি যাকে ইচ্ছা সঠিক পথ প্রদর্শন করে থাকো।

আবার কখনও তিনি তাকবীরে তহরীমার পর এই দুআও পড়তেন:
اللَّهُمَّ لَكَ الْحَمْدُ أَنْتَ نُورُ السَّمَوَاتِ وَالأَرْضِ وَمَنْ فِيهِنَّ وَلَكَ الْحَمْدُ أَنْتَ قَيِّمُ السَّمَوَاتِ وَالأَرْضِ وَمَنْ فِيهِنَّ وَلَكَ الْحَمْدُ أَنْتَ الْحَقُّ وَوَعْدُكَ حَقٌّ وَقَوْلُكَ حَقٌّ وَلِقَاؤُكَ حَقٌّ وَالْجَنَّةُ حَقٌّ وَالنَّارُ حَقٌّ وَالسَّاعَةُ حَقٌّ وَالنَّبِيُّونَ حَقٌّ وَمُحَمَّدٌ حَقٌّ اللَّهُمَّ لَكَ أَسْلَمْتُ وَعَلَيْكَ تَوَكَّلْتُ وَبِكَ آمَنْتُ وَإِلَيْكَ أَنَبْتُ وَبِكَ خَاصَمْتُ وَإِلَيْكَ حَاكَمْتُ ، فَاغْفِرْ لِى مَا قَدَّمْتُ وَمَا أَخَّرْتُ وَمَا أَسْرَرْتُ وَمَا أَعْلَنْتُ أَنْتَ الْمُقَدِّمُ وَأَنْتَ الْمُؤَخِّرُ لاَ إِلَهَ إِلاَّ أَنْتَ

হে আল্লাহ! তোমার জন্য সকল প্রশংসা। তুমি আসমান-জমিন এবং এ দু’য়ের মধ্যস্থিত সকল বস্তুর আলো। তোমার জন্য সকল প্রশংসা। আসমান ও জমিন এবং এতদুভয়ের মধ্যে যা আছে তুমি ঐ সব বস্তুর অধিকর্তা। তোমার জন্য সকল প্রশংসা। তুমি সত্য, তোমার অঙ্গিকার সত্য, তোমার সাক্ষাৎ সত্য, তোমার কথা সত্য, জান্নাত সত্য, জাহান্নাম সত্য, সাহাবীগণ সত্য, মোহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সত্য এবং কিয়ামত সত্য। হে আল্লাহ! আমি তোমার নিকট আত্মসমর্পণ করেছি। তোমার প্রতি তোমার উপর ভরসা করেছি। তোমার প্রতি ঈমান আনয়ন করেছি। তোমার নিকট প্রত্যাবর্তন করেছি। তোমার কারণেই বিবাদে লিপ্ত হয়েছি। তোমার নিকটই সকল বিষয় মীমাংসার জন্য পেশ করেছি। তুমি আমার পূর্বের ও পরের সমস্ত গুনাহ ক্ষমা করো। যা আমি গোপনে ও প্রকাশ্যে করেছি। তুমি কাউকে যাকে চাও আগে কর বা অগ্রসর কর এবং তুমিই যাকে চাও পিছিয়ে দাও বা পশ্চাতে করে থাকো। তুমি ছাড়া সত্য কোন মা’বুদ নেই।

আল্লামা ইবনুল কায়্যিম (র:) বলেন: উপরে বর্ণিত সবগুলো দুআই নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে সহীহ সূত্রে প্রমাণিত হয়েছে।
আরও বর্ণিত হয়েছে যে, তাকবীরে তহরীমার পর তিনি নিম্নের দুআটির মাধ্যমে নামায শুরু করতেন:
سُبْحَانَكَ اللَّهُمَّ وَبِحَمْدِكَ وَتَبَارَكَ اسْمُكَ وَتَعَالَى جَدُّكَ وَلاَ إِلَهَ غَيْرُكَ
হে আল্লাহ! প্রশংসা সহকারে তোমার পবিত্রতা ঘোষণা করছি। তোমার নাম বরকত ময়, তোমার মর্যাদা সকলের উপরে এবং তুমি ছাড়া ইবাদতের যোগ্য সত্য কোন উপাস্য নেই।
তবে পূর্বে উল্লেখিত দুআগুলো এই দুআটির চেয়ে অধিক বিশুদ্ধ। উমার (রাঃ) হতে সহীহ সূত্রে বর্ণিত হয়েছে যে, তিনি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর মুসাল্লায় দাঁড়িয়ে এই শেষোক্ত দুআটি উঁচু আওয়াজে পাঠ করতেন এবং মানুষকে তা শেখাতেন।

ইমাম আহমদ বিন হাম্বাল (র:) বলেন: উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত বর্ণনাই আমি গ্রহণ করছি। তবে কোন ব্যক্তি যদি নামাযে দাঁড়ানোর সময় রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে বর্ণিত যে কোন দুআ পাঠ করে, তা উত্তম হবে।

নামায শুরু করার দুআ তথা ছানা পাঠ করার পর তিনি বলতেন:
أَعُوذُ بِاللَّهِ مِنَ الشَّيْطَانِ الرَّجِيمِ بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ
বিতাড়িত শয়তান থেকে আমি আল্লাহর নিকট আশ্রয় কামনা করছি। শুরু করছি সেই আল্লাহর নামে যিনি পরম করুণাময় ও দয়ালু। অতঃপর তিনি সূরা ফাতিহা পাঠ করতেন। তিনি কখনও উঁচু আওয়াজে বিসমিল্লাহ্‌ পাঠ করতেন। তবে অধিকাংশ সময়ই তিনি তা নীরবে বলতেন।
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম প্রত্যেক আয়াত পাঠ করার পর সামান্য সময় থামতেন। আয়াতের শেষ অক্ষর উচ্চারণ করার সময় আওয়াজ লম্বা করতেন। সূরা ফাতিহা পাঠ শেষ হলে আমীন বলতেন। যেই নামাযে উঁচু আওয়াজ কেরাআত পাঠ করা হয়, তাতে তিনি আমীনও উঁচু আওয়াজ বলতেন। তাঁর পিছনের মুসল্লিগণও উঁচু আওয়াজে আমীন বলতেন।

নামাযের প্রথম রাকআতে তাঁর দু’টি সাকতাহ্ (বিরতি) ছিল। অর্থাৎ তিনি দুইবার সামান্য সময়ের জন্য বিরতি গ্রহণ করতেন। একটি ছিল তাকবীরে তাহরীমা ও কিরাতের মাঝখানে। দ্বিতীয়টির ব্যাপারে মতভেদ রয়েছে। এক বর্ণনায় রয়েছে যে, তা ছিল সূরা ফাতিহা পাঠ করার পর। অন্য বর্ণনায় আছে যে, তা ছিল কিরাত পাঠ শেষে এবং রুকুতে যাওয়ার পূর্বে। আরও বলা হয়েছে যে, প্রথম সাকতাহ্ ছাড়াও আরও দু’টি সাকতা রয়েছে। তবে বিশুদ্ধ কথা হচ্ছে সাকতাহ্ মাত্র দু’টি। তৃতীয় সাকতার ব্যাপারে কথা হচ্ছে, তা ছিল খুবই সামান্য সময়ের জন্য। শ্বাস নেওয়ার জন্য তিনি এই সাকতাহ্ গ্রহণ করতেন। খুব সংক্ষিপ্ত হওয়ার কারণে কতক আলেম এটিকে সাকতাহ হিসাবে উল্লেখ করেন নি। ‎

সূরা ফাতিহা পাঠ শেষে অন্য একটি সূরা পড়তে হবে। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কখনও লম্বা সূরা পাঠ করতেন আবার কখনও সফর অথবা অন্য কোন কারণে সংক্ষিপ্ত কিরাত পাঠ করতেন। কিন্তু অধিকাংশ সময় তিনি এ মধ্যম পন্থা অবলম্বন করতেন।
ফজরের নামাযে তিনি ষাট থেকে একশ আয়াত পর্যন্ত তেলাওয়াত করতেন। তিনি উভয় রাকআতেই সূরা কাফ, সূরা রোম, সূরা তাকবীর, সূরা যিলযালা পড়েছেন। তিনি সূরা ফালাক ও সূরা নাস দিয়েও ফজরের নামায পড়েছেন।

তিনি একদা কোন এক সফরে ছিলেন। তখন তিনি ফজরের নামাযে সূরা মুমিনূন পড়তে সরু করলেন। প্রথম রাকআতে যখন মুসা এবং হারুনের বর্ণনা আসল অর্থাৎ ৪৪ নং আয়াত পর্যন্ত পড়লেন তখন তাঁর কাশি এসে গেল। তখন তিনি কিরাত পাঠ বন্ধ করে রুকুতে চলে গেলেন।

জুমার দিন ফজরের নামাযের প্রথম রাকআতে তিনি আলিফ-লাম-মীম সাজদা এবং দ্বিতীয় রাকআতে সূরা ইনসান তথা هل أتى على الإنسان পাঠ করতেন। কেননা এই সূরা দু’টিতে মানব সৃষ্টির সূচনা, পরকাল, আদম সৃষ্টি, মুমিনদের জান্নাতে প্রবেশ ও পাপীদের জাহান্নামে প্রবেশ এবং জুমার দিনে যা সংঘটিত হয়েছে ও আগামীতে এতে যা কিছু হবে তার বিস্তারিত বিবরণ এসেছে। সুতরাং জুমার দিনের বড় বড় ঘটনাগুলো উম্মতকে ম্মরণ করিয়ে দেয়ার জন্য এই দিনের ফজরের নামাযে সূরা দু’টি পাঠ করতেন। এমনিভাবে তিনি দুই ঈদ এবং জুমার ন্যায় বড় ধরণের সম্মেলনে সূরা কাফ, সূরা কামার, সূরা আলা এবং গাশিয়া পাঠ করতেন।

                       (চলবে ইনশাল্লাহ)

যাদুল মাআদ বা পরকালের পাথেয় পর্ব-১

 

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s

%d bloggers like this: