TEAM = Together Everyone Achieves More

পিঁপড়া অতি ক্ষুদ্র একটি প্রাণী হতে পারে, কিন্তু তাদের কাছ থেকে আমাদের বিস্তর শেখার আছে। যেমন—তারা নিজেদের মধ্যে চুলোচুলি করার বদলে সবাই একাট্টা হয়ে নিজেদের ঘর সামলায়। আফ্রিকার ইকুয়েটেরিয়াল গিনিতে এবং এশিয়ার কোনো কোনো দেশে পিঁপড়া যে রীতিমতো দর্শনীয় কলোনি গড়ে তোলে, তার পেছনে আছে দীর্ঘদিনের পরিশ্রম—সবার, নারী-পুরুষ সব ধরনের পিঁপড়ার। কেউ যদি তাদের সেই কলোনি দখলের চেষ্টা করে, তারা সবাই মিলেই তা রক্ষা করে।
আমার বানানো গল্প নয়, এসব কথা আমি জেনেছি জীববিজ্ঞানী এডওয়ার্ড উইলসনের কাছ থেকে। হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের নামজাদা এ বিজ্ঞানী তাঁর নতুন বই দি সোশ্যাল কনকুয়েস্ট অব দি আর্থ-এ লিখেছেন পিঁপড়ারা যে প্রতিকূল পরিবেশে থাকতে পারে, তার প্রধান কারণ একে অপরের সঙ্গে সহযোগিতা। নিজেদের মধ্যে যদি কোনো বিভেদ থাকে, দলাদলি থাকে, স্বার্থপর কোনো উদ্দেশ্য থাকে, সে সব সরিয়ে রেখে একযোগে কাজ করা এদের অভ্যাস। টিকে থাকার মতো কঠিন সমস্যা যখন তাদের সামনে মাথা তুলে দাঁড়ায়, পিঁপড়ারা তখন এক হয় সবচেয়ে বেশি।

Advertisements

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s

%d bloggers like this: