মোবাইল ফোনের ক্ষতিকর দিকসমূহ!

নতুন মুঠোফোন কিনতে যাচ্ছেন? মুঠোফোন অতিরিক্ত ব্যবহার করলে কী ধরনের ক্ষতির মুখে পড়তে হতে পারে সে বিষয়গুলো আপনার অবশ্যই জেনে নেওয়া প্রয়োজন। অতিরিক্ত সময় ধরে মুঠোফোন ব্যবহার করার ফলে ব্যবহারকারীর স্বাস্থ্যের ওপর নানা প্রভাব পড়ে। অতিরিক্ত মোবাইল ফোন ব্যবহারের ক্ষতি নিয়ে গবেষণাও হচ্ছে। একাধিক গবেষণার ফলের বরাতে হাফিংটন পোস্টের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মুঠোফোনের অতিরিক্ত ব্যবহারে শারীরিক ও মানসিক নানা সমস্যায় পড়ছেন ব্যবহারকারীরা।

হারিয়ে যাওয়ার ভয় ঃ

মুঠোফোন সব সময় ঠিক জায়গায় আছে কিনা তা নিয়ে মন সব সময় সতর্ক থাকে। মোবাইল হারানো ভয় থেকে মনের মধ্যে জন্ম নেয় এক সমস্যা। গবেষকেরা মুঠোফোন ও সঙ্গে যোগাযোগ হারানোর এই ভয়জনিত অসুখের নাম দিয়েছেন ‘নোমোফোবিয়া’; যার পুরো নাম ‘নো মোবাইল-ফোন ফোবিয়া’। বর্তমানে যুক্তরাজ্যের ৫৩ শতাংশ এবং ২৯ শতাংশ ভারতীয় তরুণরা এ রোগের শিকার। ৫ বছর আগেও যে রোগের অস্তিত্ব কল্পিত ছিল না, আধুনিকতার সে রোগ নিয়ে দেশে-বিদেশে চিন্তিত মনোবিজ্ঞানী-মহল। অতিরিক্ত মুঠোফোন নির্ভরতা কমিয়ে ফেলতে পরামর্শ দেন গবেষকেরা।

ঘুমের মধ্যে বার্তা পাঠানোঃ

মোবাইল ফোন ব্যবহার করে অতিরিক্ত সময় বার্তা পাঠানো, চ্যাটিং করার ফলে ঘুমের মধ্যেও এর প্রভাব পড়তে পারে। হতে পারে ‘স্লিপ টেক্সটিং’ সমস্যা। এ সমস্যা হলে রাতে ঘুমের মধ্যে কাকে কী বার্তা পাঠানো হয় তা আর পরে মনে থাকে না। বার্তা পাঠানোর বিষয়টি মাথায় থাকে বলে ঘুমের মধ্যেও হাতের কাছে থাকা মুঠোফোন থেকে অনাকাঙ্ক্ষিত নম্বরে বার্তা চলে যায়। মনোবিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, দুশ্চিন্তা, কাজের চাপ আর মুঠোফোন নিয়ে অনেকের দিন কাটে। এমন অবস্থায় স্লিপ টেক্সটিং ঘটতে পারে। রাতে বিছানার পাশে মুঠোফোন না রাখার পরামর্শ দিয়েছেন গবেষকেরা।

কমতে পারে চোখের জ্যোতিঃ

যুক্তরাজ্যের চক্ষু বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে জানিয়েছেন, মুঠোফোনের অতিরিক্ত ব্যবহারে দৃষ্টি বৈকল্য সৃষ্টি হতে পারে। এতে করে মায়োপিয়া বা ক্ষীণ দৃষ্টির সমস্যা দেখা দিতে পারে। স্মার্টফোন ব্যবহারকারীরা সাধারণত চোখ থেকে ৩০ সেন্টিমিটার দূরত্ব রেখে তা ব্যবহার করেন। তবে, অনেকের ক্ষেত্রে এ দূরত্ব মাত্র ১৮ সেন্টিমিটার। সংবাদপত্র, বই বা কোনো কিছু পড়ার ক্ষেত্রে সাধারণত চোখ থেকে গড়ে ৪০ সেন্টিমিটার দূরত্ব থাকে। চোখের খুব কাছে রেখে অতিরিক্ত সময় ধরে স্মার্টফোন ব্যবহার করলে জিনগত সমস্যা দেখা দিতে পারে। ক্ষীণদৃষ্টি সৃষ্টির জন্য যা ভূমিকা রাখতে সক্ষম। গবেষকেরা একে ‘এপিজেনেটিকস’ সংক্রান্ত বিষয় বলেন। গবেষকেরা দীর্ঘক্ষণ ধরে স্মার্টফোনে চোখ না রাখতে পরামর্শ দিয়েছেন। দৈনিক কিছু সময় মোবাইল ফোন থেকে দূরে থাকার পরামর্শ দেন তাঁরা। স্মার্টফোন ব্যবহারের ক্ষেত্রে বয়স বিবেচনার বিষয়টিকেও গুরুত্ব দিয়েছেন যুক্তরাজ্যের গবেষকেরা।

কানে কম শোনাঃ

মুঠোফোন ব্যবহারের ফলে কানের সমস্যা তৈরির বিষয়টি অভ্যাসের ওপর নির্ভর করে। হেডফোন ব্যবহার করে উচ্চশব্দে গান শুনলে অন্তকর্ণের কোষগুলোর ওপর প্রভাব পড়ে এবং মস্তিষ্কে অস্বাভাবিক আচরণ করে। একসময় বধির হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে।

শরীরের অস্থি-সন্ধিগুলোর ক্ষতিঃ

অতিরিক্ত সময় ধরে মেসেজ বা বার্তা টাইপ করা হলে আঙুলের জয়েন্টগুলোতে ব্যথা হতে পারে এবং অবস্থা বেশি খারাপ হলে আর্থরাইটিসের মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে। এ ছাড়াও অনেকে অনেকেই কাজের সময় মুঠোফোন ব্যবহার করতে গিয়ে কাঁধ ও কানের মাঝে ফোন রেখে কথা বলেন। অনেকেই অতিরিক্ত ঝুঁকে বসে দীর্ঘ সময় ধরে বার্তা পাঠাতে থাকেন। বসার ভঙ্গির কারণেও শরীরে নানা অসুবিধা দেখা দিতে পারে। চিকিত্সকের পরামর্শ হচ্ছে অতিরিক্ত সময় ধরে মুঠোফোনে বার্তা লিখবেন না, এতে করে শরীরের জয়েন্ট বা সন্ধির সমস্যা থেকে সুস্থ থাকতে পারবেন।

কমে যেতে পারে শুক্রাণুঃ

গবেষকেরা জানান, মুঠোফোন থেকে হাই ফ্রিকোয়েন্সির ইলেকট্রো-ম্যাগনেটিক রেডিয়েশন নির্গত হয়। এই ক্ষতিকর তরঙ্গের সঙ্গে মস্তিষ্কে ক্যানসারের যোগসূত্র থাকতে পারে। এ ছাড়া শরীরের অন্য কোষকলা এই ক্ষতিকর তরঙ্গের প্রভাবে ক্ষতির মুখে পড়তে পারে। ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে পুরুষের প্রজননতন্ত্রেরও। গবেষকেদের দাবি, মুঠোফোন থেকে নির্গত ক্ষতিকর তরঙ্গ শুক্রাণুর ওপর প্রভাব ফেলে এবং শুক্রাণুর ঘনত্ব কমিয়ে দিতে পারে।

যখন তখন রিং টোন!ঃ

এ সমস্যা মূলত উদ্বিগ্নতা বা বিষণ্নতা থেকে ঘটতে পারে। এ ধরনের সমস্যা হলে ব্যবহারকারী ফোনের রিং না বাজলে কিংবা ভাইব্রেশন না হলেও হঠাত্্ করেই তা শুনতে পান বা অনুভব করেন। অতিরিক্ত মুঠোফোন ব্যবহারের কারণে এ সমস্যা দেখা দিতে পারে। এ ধরনের সমস্যা ভুগতে শুরু করলে তা টেরও পান না অনেক ব্যবহারকারী।

ঘুম নেই!ঃ

স্মার্টফোন, ট্যাবলেট, ল্যাপটপ, ডেস্কটপের অতিরিক্ত ব্যবহার ও অতিরিক্ত টেলিভিশন দেখার ফলে সবচে বেশি দেখা দেয় ঘুমের সমস্যা বা নিদ্রাহীনতা। যারা ঘুমাতে যাওয়ার আগে এ ধরনের প্রযুক্তি-পণ্য অতিমাত্রায় ব্যবহার করেন তাদের শরীরে মেলাটোনিনের ঘাটতি দেখা দিতে পারে; যার কারণ প্রযুক্তিপণ্য থেকে নির্গত উজ্জ্বল আলো। এক পর্যায়ে ঘুমের মারাত্মক সমস্যা দেখা দেয় এবং স্লিপ ডিজঅর্ডারের ঝুঁকি তৈরি হয়।

টয়লেট সিটের চেয়েও নোংরাঃ

মার্কিন গবেষকেরা পরীক্ষা করে দেখেছেন, টয়লেট সিটের তুলনায় ১০ গুণ বেশি ব্যাকটেরিয়া থাকে মুঠোফোনে। মুঠোফোন নিয়মিত পরিষ্কার না করায় এটি জীবাণুর অভয়ারণ্য হয়ে ওঠে। গবেষকেরা বলেন, মুঠোফোনে ব্যাকটেরিয়াগুলো ব্যবহারকারীর জন্য খুব বেশি ক্ষতিকারক না হলেও এটি থেকে সংক্রমণ বা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়তে পারে। নিয়মিত মুঠোফোন পরিষ্কার করলে এ সমস্যা থেকে দূরে থাকা যায়।

 

ইবাদতে অমনোযোগীতাঃ

অবসর সময়টুকুতে একাগ্রতার সাথে নফল ইবাদত না করে মোবাইল নিয়ে ব্যস্ত থেকে মূল্যবান সময় এবং অর্থ অপচয় করা হয়, যা একজন মুসলমানের জন্য বিরাট ক্ষতিকর দিক, যদিও উন্নত সেটের মাধ্যমে ধর্মীয় চর্চার সুযোগও আছে তবে সেদিকে হয়ত কম লোকেই সময় দিয়ে থাকে।

 

উৎসঃ   প্রথম আলো কিছুটা পরিবর্তনসহ।

সফলতা অর্জনে বিজ্ঞানী আইনস্টাইনের কতিপয় উপদেশ

  ১. কোন কাজের পেছনে লেগে থাকা একটি অমূল্য ভান্ডার ঃ
আইনস্টাইন বলেনঃ“ বিষয়টি এনয় যে আমি অধিক ব্রেনী, বরং বিষয়টি হল এই যে, আমি একটি কাজ সম্পন্ন করতে যথেষ্ট সময় ব্যয় করি”!
আইনস্টাইন মনে করেন মেধার ১%  স্্রষ্টার দান আর ৯৯% কঠোর পরিশ্রম এবং প্রচেষ্টা। প্রকৃতিগতভাবে কোন মেধাবী নেই বরং গবেষকগণ তারা যা বিশ্বাস করে তা অর্জনের জন্য সর্বাত্তক প্রচেষ্টা চালান। প্রকৃত পক্ষে তারাই বিফল হয় যারা চেষ্টা করা থেকে বিরত থাকে।
একথা মনে রাখবে যে তুমি কোন সুযোগ লাভ করতে চাইলে কোন কষ্ট সাধ্য পরিবেশে তা খুঁজবে।
২.  অতিরিক্ত সময়কে কাজে লাগানঃ
আইনস্টাইন বলেনঃ আমি কোন বিশেষ দান পাইনি, তবে আমার রয়েছে জানার যথেষ্ট আগ্রহ!” তাই নিজেকে জানার আগ্রহ থেকে বঞ্চিত করবে না এবং তা থেকে বিরত থাকবে না।
৩. অভিজ্ঞতা থেকে জ্ঞান অর্জন হয়ঃ
শুধু শিক্ষা করাই জ্ঞান নয় বরং জ্ঞানের উৎস হল একটি আর তাহল শিক্ষা অনুযায়ী কাজ করা এবং অভিজ্ঞতা অর্জন করা”।
অতএব উল্লেখ যোগ্য কোন পরিশ্রম ব্যতীত শুধু সমষ্টিগত কিছু শিক্ষার নাম জ্ঞান নয় যা আমাদের মধ্যে যেকেউ হাসিল করতে পারে, বরং  প্রকৃত জ্ঞান হল অভিজ্ঞাতা লাভের জন্য কঠোর সাধনা করা।
৪. প্রথমে খেলার নিয়ম শিখুনঃ
আইনস্টাইন বলেনঃ “প্রথমে খেলার নিয়ম শিখুন এর পর শিখুন কিভাবে আপনি অন্যদের চেয়ে ভাল খেলবেন”।
৫.সহজতা অন্বেষণ করুনঃ
আইনস্টাইন বলেনঃ “যদি আপনি ৬বছরের একটি শিশুর নিকট আপনার ফর্মূলাটি বিশ্লেষণ করতে না পারেন তাহলে আপনি নিজেই বিষয়টি বুঝতে পারেন নি!”
একটি বিষয়কে কঠিন করে তোলতে পারে যেকেউ কিন্তু বিষয়টি সহজ করে পেশ করার জন্য চাই একজন প্রতিভাবান ব্যক্তি।
৬.পরিকল্পনা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ঃ
আইনস্টাইন বলেনঃ“ পরিকল্পনা জ্ঞানের চেয়ে অধিক গুরুত্বপূর্ণ কেননা পরিকল্পনার মাধ্যমে আমরা ভবিষ্যত রচনা করতে পারব।”
৭.ভুল করুনঃ
আইনস্টাইন বলেনঃ“ যে ব্যক্তি কোন ভুল করে না সে নুতন কিছু জানতে পারবে না।”
অন্যভাবে তিনি বলেনঃ ভুল না করার একটিই রাস্তা আর তাহল নুতন কিছু না করা।
৮. বর্তমানকে গুরুত্ব দিনঃ
আইনস্টাইন বলেনঃ“ আমি কখনো ভবিষ্যত নিয়ে চিন্তা করি না কেননা সেখানে যা হওয়ার তা হবেই।”
৯. ভিন্ন রকম ফল আশা করবে নাঃ
আইনস্টাইন বলেনঃ“একই কাজ বার বার করে তাথেকে ভিন্নরকম ফল পাওয়ার আশা করা একটি বোকামী”।
উৎসঃ নেট।

 

এমন ঘর যা কখনো নষ্ট হবে না এবং তার মালিক মৃত্যুবরণ করবে না!

আউন বিন আবদুল্লাহ থেকে বর্ণিত তিনি বলেনঃ অতীতের কোন এক বাদশাহ  একটি অত্যাধুনিক শহর নির্মান করল, অতঃপর খাবার-দাবারের আয়োজন করে মানুষকে দাওয়াত দিল, আহার শেষে শহরের প্রবেশদ্বারে কিছু লোক বসিয়ে রাখল, তারা ভিতর থেকে যারা বের হচ্ছে তাদেরকে জিজ্ঞেস করতে লাগল যে এই শহরের মধ্যে কোন ত্র“টি তোমাদের দৃষ্টি গোচর হল কি?
উত্তরে লোকেরা বলতে লাগল না।
সবশেষে কিছু লোক আসল দ্বার রক্ষকরা তাদেরকে জিজ্ঞেস করল এই শহরের কোন ত্র“টি তোমাদের দৃষ্টি গোচর হল কি?
তারা বললঃ হা দু’টি ত্র“টি আমরা লক্ষ্য করেছি, তখন দ্বার রক্ষকরা তাদেরকে বাদশার নিকট নিয়ে গেল, বাদশা তাদেরকে জিজ্ঞেস করল ত্র“টিগুলো কি কি?
তারা বললঃ এই শহর নষ্ট হয়ে যাবে এবং তার মালিক মৃত্যুবরণ করবে।
বাদশা বললঃ এমন কোন ঘর আছে কি যা কখনো নষ্ট হবে না এবং তার মালিক মারা যাবে না?
তারা বললঃ হা, পর কালের ঘর।
তাদের কথা শুনে বাদশা তার বাদশাহী ত্যাগ করে তাদের সাথী হয়ে আল্লাহ্র ইবাদত করতে লাগল।
ইমাম শাফেয়ী (রাহিমাহুল্লাহ)বলেনঃ
মৃত্যুর পর বসবাস করার মত মানুষের কোন ঘর নেই
তবে সেই ঘর ব্যতীত যা সে মৃত্যুর পূর্বে (পরকালের জন্য) নির্মান করেছে
যদি তা ভাল ভাবে নির্মান করে থাকে তাহলে সেখানে সে আরামদায়ক ভাবে বসবাস করেব
আর যদি তা ভাল ভাবে নির্মান না করে থাকে তাহলে নির্মানাকারী সেখানে ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

 

স্বীয় ঘরকে শয়তানের অনুপ্রবেশ থেকে সংরক্ষণের আমলসমূহঃ

শয়তান মানুষের চির শত্র“, যে ঘরে সে প্রবেশ করে ঐ ঘরের পরিবেশকে  বিনষ্ট করে দেয়, পরিবারের সদস্যদের মাঝে বিভক্তি সৃষ্টি করে।
এই শত্র“ থেকে ঘরকে সংরক্ষণের কতিপয় আমলঃ
১. ঘরে প্রবেশ করার সময় নিুোক্ত দোয়া পাঠ করাঃ
(বিসমিল্লাহি ওলাজনা ওয়া বিসমিল্লাহি খারাজনা, ওয়া আল্লাহি রাব্বিনা তাওয়াক্কালনা)। (আবুদাউদ)
২. ঘরে প্রবেশ করে সেখানে অবস্থানরত লোকদেরকে সালাম দেয়া।
আল্লাহ্র বাণীঃ
فَإِذَا دَخَلْتُمْ بُيُوتاً فَسَلّمُواْ عَلَىَ أَنفُسِكُمْ تَحِيّةً مّنْ عِندِ اللّهِ مُبَارَكَةً طَيّبَةً
অর্থঃ“ তবে যখন তোমরা  গৃহে প্রবেশ করবে তখন তোমরা তোমাদের স্বজনদের প্রতি সালাম করবে অভিবাদন স্বরূপ যা আল্লাহ্র নিকট হতে কল্যাণময় ও পবিত্র”। (সূরা নূর-৬১)
নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ
إِذَا دَخَلْتَ عَلَى أَهْلِكَ فَسَلِّمْ ، يَكُنْ بَرَكَةً عَلَيْكَ وَعَلَى أَهْلِ بَيْتِكَ . (رواه الترمـذي )
অর্থঃ“ তুমি যখন তোমার ঘরে প্রবেশ করবে তখন সালাম দিবে তা তোমার জন্য এবং তোমার পরিবারের জন্য বরকত হবে”। (তিরমিযী)
৩. পানাহারের সময় দোয়া পাঠ করাঃ
রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ
إِذَا دَخَلَ الرَّجُلُ بَيْتَهُ فَذَكَرَ اللَّهَ عِنْدَ دُخُولِهِ وَعِنْدَ طَعَامِهِ , قَالَ الشَّيْطَانُ : لا مَبِيتَ لَكُمْ وَلا
عَشَاءَ (مسلم)
অর্থঃ“ যখন কোন ব্যক্তি তার ঘরে প্রবেশ করার সময় এবং খাবার খাওয়ার সময় দোয়া পাঠ করে তখন শয়তান বলেঃ আজ এখানে তোমাদের রাত্রিযাপন এবং নৈশ ভোজের কোন সুযোগ নেই”। (মুসলিম)
৪. ঘরে সূরা বাকারা তেলওয়াত করা।
রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ
ان لكل شيئ سنما، وان سنام القرآن سورة البقرة، وان الشيطان اذا سمع سورة البقرة تقرأ خرج من البيت الذى تقرأ فيه سورة البقرة، (رواه الحاكم)
অর্থঃ“সবকিছুরই একটি চুড়া থাকে আর কোরআনের চুড়াহল সূরা বাকারা, শয়তান যখন সূরা বাকারার তেলওয়াত শুনে তখন সে ঐ ঘর থেকে বের হয়ে যায় যেখনে তা তেলওয়াত করা হয়”। (হাকেম)
৫. গান-বাজনা এবং গান-বাজনার সরন্জাম থেকে ঘরকে পরিচ্ছন্ন রাখা।

কেননা আল্লাহ্র যিকির যেমন শয়তানকে দূরে রাখে তেমনিভাবে গান এবং বাদ্য যন্ত্রের আওয়াজ রহমতের ফেরেশ্তাগণকে দূরে রাখে। আর ঘর থেকে যখন ফেরেশ্তাগণ বের হয়ে যায় তখন ওখনে শয়তান তার রাজত্ব কায়েম করে।
আল্লাহ্র বাণীঃ
وَاسْتَفْزِزْ مَنِ اسْتَطَعْتَ مِنْهُمْ بِصَوْتِكَ
অর্থঃ“ তোর আহ্বানে তাদের মধ্যে যাকে পারিস তাকে সত্যচুত কর” । (সূরা বানী ইসরাঈল- ৬৪)
মুজাহিদ এই আয়াতের তাফসীরে বলেছেনঃ গান-বাজনা হল শয়তানের আওয়াজ।
৬. ছবি এবং বিভিন্ন জীব জন্তুর মূর্তি থেকে ঘরকে পরিচ্ছন্ন রাখা।
রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ
لا تدخل الملائكة بيتا فيه تصاوير او تماثيل ( رواه مسلم)
অর্থঃ“ যে ঘরে মূর্তি বা ছবি থাকে সেখানে ফেরেশ্তা প্রবেশ করে না”। (মুসলিম)

৭. ঘরকে কুকুর থেকে পরিচ্ছন্ন রাখা।

রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ
لاتدخل الملائكة بيتا فيه كلب ولا صورة( رواه البخاري)
অর্থঃ“ যেঘরে ছবি এবং কুকুর থাকে সেঘরে ফেরেশ্তা প্রবেশ করে না”। (বোখারী)

 

কোরবানীর মাসলা সংক্রান্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ কোর্স।

সম্মানিত মুসলিম ভাই ও বোনেরা, আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ
আগামী হজ্জ কে সামনে রেখে হজ্জ কোর্সের পাশাপাশি IERF এর উদ্বেগে শুর হচ্ছে কোরবানীর মাসলা সংক্রান্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ কোর্স।
আমরা এই কোর্সে অংশগ্রহণের মাধ্যমে জানতে পারবো কুরবানীর বিভিন্ন মাসলা মাসেল।
নিছে কোর্সের বিবরণ দেওয়া হয়েছে।

কোর্স শুরুর তারিখ: ১৪ অক্টোবর ২০১২ইং
মেয়াদ: দুই সপ্তাহ (সপ্তাহে চার দিন)
বার: রবি, সোম, মঙ্গলবার ও বুদ
সময়:(বাংলাদেশ সময়) দুপর ১ ০০টা থেকে ২ ০০টা পর্যন্ত। -বিস্তারিত->

পবিত্র হজ্ব থেকে তাওহীদের শিক্ষা।

পবিত্র হজ্ব তাওহীদ (আল্লাহ্‌র একত্ববাদের)শিক্ষা
শাইখ আব্দুল্লাহিল হাদী ইউসুফ
রিয়াদ, সৌদি আরব

হজ্ব ইসলামের রুকনসমূহরে মধ্যে একটি রুকন, এই হজ্ব তাওহীদ তথা আল্লাহ্‌ র একত্ববাদে ভরপুর একটি ইবাদত।একজন হাজী যখন হজ্বরে নিয়ত করছে তখন সে বলছে,”হে আল্লাহ্‌ তোমার আহ্বানে সাড়া দিয়ে আমি উপস্থিত হলাম কোন লৌককিতা বা নামের জন্য নয়। (এই অর্থে হাদীসটি ইবনু মাযায় বর্ণিত হয়েছে)
তওয়াফের শুরুতে বিসমিল্লাহ্‌, আল্লাহু আকবার বলে আল্লাহ্‌ র একত্ববাদরে স্বীকৃতি দিয়ে তওয়াফ শুরু করা হচ্ছে। -বিস্তারিত->

Quran Learning Course (কোরআন শিক্ষা কোর্স)

Course Details:
It is a online course. The Course details are mentioned below.

Course Language: Bangla
Course Duration: Three month
Subject: Basic Quran learning -read more->